প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 21, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 20, 2026 ইং
রোপা আমনে বাড়তি খরচে দুশ্চিন্তায় কৃষক

জয়পুরহাট সংবাদদাতাঃ
জয়পুরহাটে এবার রোপা আমন ধান চাষাবাদে খরচ বেড়েছে। এতে চাষাবাদে উৎপাদন খরচ তুলে লাভ নিয়ে চরম শঙ্কায় রয়েছে কৃষকরা।
জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় ৭০ হাজার ৯৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখান থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৯৫৭ টন ধান উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৯৭ ভাগ জমিতে আমন চাষ সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, গত বছরের থেকে এবার বিঘা প্রতি হাল চাষে খরচ বেড়েছে ৩০০ টাকা। রোপণ করতে কৃষি শ্রমিকরা বেশি নিচ্ছে ৫০০ টাকা। সংকটের অজুহাতে খুচরা বাজারে সারের দাম বস্তা প্রতি বেড়েছে ১০০ থেকে ২০০ টাকা। কীটনাশকের দাম বেড়েছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। আবার বীজ ও সেচসহ অন্যান্য খরচতো আছেই। সব মিলিয়ে বিঘাপ্রতি উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা। অথচ বাজারে ধানের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে ফসল ফলিয়েও লাভের নিশ্চয়তা নেই-বরং লোকসানের আশঙ্কায় দিন কাটছে কৃষকদের।
পাঁচবিবি উপজেলার বীরনগর এলাকার কৃষক গোবিন্দ ও লুৎফর রহমান বলেন, জমি প্রস্তুত, শ্রমিকের মজুরি, চারা, কীটনাশক ও সারের দাম-সব মিলিয়ে গত বছরের তুলনায় এবার খরচ বেড়েছে কয়েকগুণ। এর মধ্যে প্রয়োজনের সময় সার না পাওয়ায় অনেক কৃষককে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে হচ্ছে।
সদর উপজেলার দস্তপুর গ্রামের আদিবাসী কৃষক রবিন ও তাজপুর গ্রামের বাবুল হোসেন জানান,বাজারে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কিছু ব্যবসায়ী বেশি দামে বিক্রি করছে। কৃষি বিভাগের লোকজন যদি মাঠপর্যায়ে মনিটরিং করে তাহলে সারের দোকানদাররা বেশি দামে সার বিক্রি করতে পারবে না।
জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক একেএম সাদিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় সারের কোনো সংকট নেই। চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে যদি কোনো সারের ডিলার সারের দাম বেশি নেয় তাহলে অভিযোগ পেলে সেই ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাঠ পর্যায়ে প্রতি বিঘা জমিতে যে পরিমাণে সার প্রয়োজন এর থেকে ২-৩ গুণ সার বেশি প্রয়োগ করে কৃষকেরা।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়