প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 14, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 12, 2026 ইং
মোরেলগঞ্জের উৎপাদিত সবজি যাচ্ছে সারা দেশে

বাগেরহাট সংবাদদাতাঃ
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার উৎপাদিত নানা রকম সবজি নদী পথে চলে যাচ্ছে সারা দেশের বাজারে। বাজারে ভাল দাম পাওয়ায় কৃষকরা এবার সবচি চাষাবাদে ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন।
মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মাঠে মাঠে এবার ব্যাপক সবজি চাষাবাদ হয়েছে। বর্ষা মৌসুম আগে থেকে কৃষকরা জমি থেকে সবজি তুলে বিক্রি করছেন। সারা দেশে বৃষ্টিপাতে সবজি খেত নষ্ট হওয়ায় এখানকার উৎপাদিত সবজির সেই চাহিদা মেটাচ্ছে। প্রতিদিন কৃষকদের জমি থেকেই দুর-দুরান্তের পাইকার এসে সবজি কিনে নিচ্ছেন। ট্রলার কিংবা ট্রাকযোগে প্রতিনিয়ত যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, বটিয়াঘাটা, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুরসহ বিভিন্ন শহরে। ইউনিয়নের হরতকীতলা, গুয়াতলা, পিসি বারইখালী থেকে শসা, করলা, চাল কুমড়া, মিষ্টি কুমরাসহ বিভিন্ন সবজি প্রতিদিন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে রফতানি করছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, গত বছরের চেয়ে বাজারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, দামও পাচ্ছেন ভালো। প্রতিমণ সবজিতে বেড়েছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। করল্লায় বেড়েছে মণ প্রতি ১ হাজার টাকা।
গুয়াতলা গ্রামের কৃষক রুহুল আমিন জোমাদ্দার জানান, ২০ বিঘা জমিতে এবার সবজি উৎপাদন করে তিনি বাম্পার ফলন পেয়েছেন। ১০ বছর ধরে তিনি এ সবজি চাষ করে, ব্যায় মিটিয়ে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা আয় করেন। এ বছর সবজির চাহিদা বাজারে দ্বিগুণ ও ভালো দাম থাকায় আশা করছেন ১৬ থেকে ১৭ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন।
শুধু এই কৃষককই নয়। এখানকার প্রতিটি কৃষকই এখন বছরজুড়ে সবজি চাষাবাদ করে মোটা অংকের টাকা আয় করছেন। এর মাধ্যমে তারা সংসারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে এনছেন।
মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে কৃষকরা সবজির বাম্পার ফলন ফলিয়েছেন। ৩ মাসে দেড় কোটি টাকার সবজি রফতানি করছেন এ অঞ্চলের কৃষক। কৃষি দফতরের মাধ্যমে আধুনিক প্রশিক্ষণের কারণে কৃষকেরা নতুন নতুন ফসল উৎপাদনে সক্ষম হয়েছেন বলে জানান এ কর্মকতা।
কৃ/স/জয়
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়