প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 26, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 26, 2026 ইং
এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল

স্টাফ রিপোর্টারঃ ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’-এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল তুলে দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পের এই দলিল তুলে দেয়া হয়।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে এ উপলক্ষে ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম ফাউন্ডারদের হাতে জমির দলিল, শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র এবং সুখের খামার ফাউন্ডেশনের লাইফটাইম সদস্যপদ সনদ তুলে দেন।
এর মাধ্যমে অংশীদারেরা প্রকল্পের জমি, খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানার স্বীকৃতি পেলেন বলে জানিয়েছে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে প্রকল্পটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন । বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন বিশেষ অতিথি ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, বর্তমান সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিক্ষিত তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। বিশ্বজুড়ে সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশেও নানা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সুখের খামারের মতো কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ফাউন্ডাররা শুধু বিনিয়োগকারী নন, তাঁরা এই প্রতিষ্ঠানের মালিক ও প্রতিষ্ঠাতা। তাঁদের আস্থার মর্যাদা রক্ষা করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন,বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগইল গ্রামে ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা সুখের খামার এগ্রো ভিলেজে ইতিমধ্যে দুই হাজারের বেশি দর্শনার্থী ঘুরে গেছেন। তাদের দাবি, প্রকল্পটি স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি আনার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারীর ক্ষমতায়নেও ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে এখানে আন্তর্জাতিক মানের ১০০ কক্ষবিশিষ্ট এগ্রো রিসোর্ট, একটি জামে মসজিদ এবং হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকদের ভাষ্য, বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগইল গ্রামে ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা প্রকল্পটির দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সম্পদের মূল্য বৃদ্ধির কারণে চলতি জুলাই থেকে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠার দেড় বছরের মধ্যেই এ মূল্যবৃদ্ধি অংশীদারদের আস্থার প্রতিফলন বলে তারা দাবি করেন।
আয়োজকেরা আরও জানান, শরিয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এ প্রকল্পে অংশীদারেরা সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে জমিসহ খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন, যা দেশের এগ্রো ট্যুরিজম খাতে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
কৃ/স/জয়
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়