প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 25, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 24, 2026 ইং
কৃষি জমিতে বালুর স্তরে দিশেহারা কৃষক

শেরপুর প্রতিনিধিঃ পাহাড়ি ঢল আর অতি বৃষ্টিতে শেরপুরের সীমান্তবর্তী নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলায় শত শত একর ফসলি জমিতে বালুর স্তর পড়েছে। এমন অবস্থায় এসব জমিতে চাষাবাদ করা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, শেরপুরের পাহাড়ি নদী ভোগাই, চেল্লাখালী, মহারশী ও সোমেশ্বরীতে চার দফায় পাহাড়ি ঢল নেমে আসে। পানির তোড়ে কৃষকদের জমিতে বালি এস জমা হয়। এখন এসব নদীর পানি কমে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলোর চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপার ইউনিয়নের চেল্লাখালী নদীর পাড়সংলগ্ন গোল্লারপাড় গ্রামের কৃষকদের অন্তত ২০ থেকে ৩০ একর আবাদি জমিতে ঢলের পানির সঙ্গে আসা বালু জমেছে। এতে আসন্ন আমন মৌসুমে তাদের জমিতে আবাদ করা দুরূহ হয়ে পড়বে।
ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল গ্রামের সোমেশ্বরী নদীর পাড়সংলগ্ন বালু জমা ফসলি জমির কৃষকেরা জানান, কয়েক দফা পাহাড়ি ঢলে নদীর পাড় ভেঙেছে, আমনের বীজতলা নষ্ট হয়েছে, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ঢলে কয়েক একর জমিতে বালুর স্তর পড়ে গেছে। এখন তারা কীভাবে চাষাবাদ করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
এলাকাবাসীদের দাবী,দ্রুত চেল্লাখালী নদীর গোল্লারপাড় এলাকার ভেঙে যাওয়া প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত করা হোক। তা না হলে চলতি মৌসুমে আবারও পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ফসলি জমিতে বালুর স্তর পড়েছেÑএমন কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত কৃষকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। তাই কী পরিমাণ জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে তারা বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন বলে জানান।
কৃ/স/জয়
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়